সখীপুরের এক কৃষকের প্রায় ১০ হাজার কলা গাছ ভেঙে শেষ ক্ষতির সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ টাকা – dainikprothombarta    
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাভার আশুলিয়া সেনা মার্কেট থেকে সরকারি আটা ও চাল জব্দ মান্দায় আত্রাই নদীর পাড়ে মোবাইল কোর্ট; দুই চালককে জরিমানা। দোয়ারাবাজারে সুনামগঞ্জের ডিসির বক্তব্য নিয়ে আপত্তি তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে রাজশাহীতে মঞ্চ প্রস্তুত রাজশাহী-৫ পুঠিয়া দুর্গাপুর বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণা বিভিন্ন ইউনিয়নে  নওগাঁর মান্দায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত। ঘাটাইলে বর্ণিল আয়োজনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতের সমন গায়েব করে গ্রেপ্তারের অভিযোগ মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে পরিচিত মাগুরা মহম্মদপুর পলাশবাড়ী ইউনিয়ন এর ঔতিহ্য ও কৃতি সন্তান, এ আর সাইফুল ইসলাম । সংস্কারের নামে বছরের পর বছর খোঁড়া রাস্তা ধুনটে ঠিকাদার লাপাত্তা, মানববন্ধনে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

সখীপুরের এক কৃষকের প্রায় ১০ হাজার কলা গাছ ভেঙে শেষ ক্ষতির সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ টাকা

  • Update Time : বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২০৭ Time View

সখিপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি,মোঃ আবু বকর সিদ্দিক (অপু):

টাঙ্গাইলের সখীপুরে আকস্মিক ঝড়ে এক কৃষকের ভেঙে গেছে প্রায় ১০হাজার কলা গাছ।

সোমবার রাত ১২ টার দিকে সখীপুর ও এর আশেপাশের এলাকায় ঝড় বয়ে যায়। এতে উপজেলার প্রতিমা বংকীর ইউনুস আলী নামের এক কৃষকের ঝড়ে ভেঙে পড়ে প্রায় ১০ হাজার কলা গাছ।

ধারণা করা যাচ্ছে এতে তার ক্ষতি প্রায় ১৬ লাখ টাকা।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইউনুস আলী ববলেন গ্রামের মানুষের কাছ থেকে ধার করে ১১ হাজার কলা গাছ লাগিয়েছিলাম প্রায় সব গাছি ভেঙে গেছে শুধুমাত্র অল্প কিছু গাছ বাকি আছে।

তিনি আরো বলেন আমার এই বাগানটিতে আমার প্রায় ১৬ লাখ টাকার মতন ক্ষতি হয়েছে তেনার এই ক্ষতিতে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর সখীপুরে প্রায় ৪৫০ হেক্টর জমিতে কলা গাছ লাগানো হয়েছে। আকস্মিক ঝড়ে ৫০ হেক্টরেরও বেশি জমির কলা গাছ ভেঙ্গে গেছে। এই উপজেলায় রঙিন সাগর, হিম সাগর ও সবরি কলার চাষ বেশি হয়ে থাকে।

উপজেলার কালিদাস গ্রামের আলমগীর হোসেন বলেন, এ বছর সাত হাজার কলা গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে চার হাজার ছিল সবরি কলা। রাতের আকস্মিক ঝড়ে প্রায় সবগুলো সবরি কলা গাছ ভেঙ্গে গেছে। প্রতিটি কলা গাছে প্রায় তিন শত টাকা করে খরচ হয়েছে। আর দুই-আড়াই মাস পর কলা বিক্রির উপযোগী হতো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ান্তা বর্মণ বলেন, এই আকস্মিক ঝড়ে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি প্রায় ৫০ হেক্টর জমির কালা গাছ ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কলাচাষিদের নামের তালিকা করে জেলা কৃষি অফিসে পাঠানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© All rights reserved © Doinik Prothom Barta
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102