ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত সৈয়দপুর, জনজীবনে স্থবিরতা – dainikprothombarta    
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ওসি বদলির গুঞ্জনে বড় মহল্লায় মাদক ব্যবসায়ীদের উল্লাস দলীয় নেতার আশকারায় মাদক ব্যবসা চাঙ্গা, প্রশাসনের ঘুম হারাম চর গোসাইপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আনসার প্লাটুন কমান্ডারদের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন নবীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল  ভাঙ্গা আন্ডারপাসে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা — প্রাণ গেল এক ব্যক্তির কালীগঞ্জের বাসাইল বাজারে মোবাইল কোর্ট: ৫ মামলায় ১৯ হাজার টাকা জরিমানা গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে ৫৮টি হারানো মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের কাছে হস্তান্তর দুই যুগ পর কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন ১২ মার্চ সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় সখীপুরের যুবক নিহত, বাড়িতে শোকের ছায়া।

ঘন কুয়াশা ও হিমেল বাতাসে বিপর্যস্ত সৈয়দপুর, জনজীবনে স্থবিরতা

  • Update Time : রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২১০ Time View

নিউজ ডেস্ক:

ঘন কুয়াশার সঙ্গে উত্তরের হিমেল বাতাসে হঠাৎ করেই তীব্র শীতের কবলে পড়েছে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলা। রাত নামলেই শুরু হচ্ছে প্রচণ্ড ঠান্ডা, যা সকাল ১০ থেকে ১১টা পর্যন্ত অব্যাহত থাকছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে সাধারণ মানুষ, ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জীবনযাত্রা।

রোববার (২১ ডিসেম্বর) সকালে সৈয়দপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয় বলে জানিয়েছে স্থানীয় আবহাওয়া অফিস।

ভোররাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশা এতটাই ঘন থাকছে যে, বৃষ্টির ফোঁটার মতো ঝরে পড়ছে জলকণা। টানা তিন দিন ধরে দুপুর গড়ালেও সূর্যের দেখা মেলেনি। পুরো উপজেলা কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকায় সকাল ৮টা পর্যন্ত যানবাহন চলাচলে হেডলাইট ব্যবহার করতে হচ্ছে। এতে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ফ্লাইট ওঠানামাতেও সাময়িক সমস্যা দেখা দিয়েছে।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হোসেন জানান, চলমান শীতের এই পরিস্থিতি আরও কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে। একই সঙ্গে তাপমাত্রা আরও কমার আশঙ্কাও রয়েছে।

বিশেষ করে রাতের তাপমাত্রা দিনের তুলনায় অনেক কম থাকায় শীতের তীব্রতা বেশি অনুভূত হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলে মানুষ খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত থেকে বাঁচার চেষ্টা করছে। তবে প্রচণ্ড ঠান্ডার কারণে কাজ হারাচ্ছেন দিনমজুর ও স্বল্প আয়ের মানুষ। কুয়াশা ও শীতের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ধানের বীজতলা ও আলু ক্ষেত, এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা।

রোববার সকালে বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, রাতভর কুয়াশায় ভিজে আছে কৃষিজ জমি। তীব্র ঠান্ডা উপেক্ষা করে মাত্র এক-চতুর্থাংশ মানুষ জীবিকার তাগিদে কাজে বের হচ্ছেন। শহরের গরম কাপড়ের দোকানগুলোতে কিছুটা ভিড় থাকলেও অন্যান্য স্থানে মানুষের চলাচল তুলনামূলকভাবে কম।

গত দুই থেকে তিন দিনে শীতের প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় রেললাইনের পাশ ও ফুটপাতে বসা শীতবস্ত্রের দোকানগুলোতে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ভিড় বাড়ছে। কম দামে গরম কাপড় কিনে শীত মোকাবিলার চেষ্টা করছেন ক্রেতারা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© All rights reserved © Doinik Prothom Barta
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102