বেলকুচিতে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত  – dainikprothombarta    
বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ওসি বদলির গুঞ্জনে বড় মহল্লায় মাদক ব্যবসায়ীদের উল্লাস দলীয় নেতার আশকারায় মাদক ব্যবসা চাঙ্গা, প্রশাসনের ঘুম হারাম চর গোসাইপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আনসার প্লাটুন কমান্ডারদের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন নবীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল  ভাঙ্গা আন্ডারপাসে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা — প্রাণ গেল এক ব্যক্তির কালীগঞ্জের বাসাইল বাজারে মোবাইল কোর্ট: ৫ মামলায় ১৯ হাজার টাকা জরিমানা গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে ৫৮টি হারানো মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের কাছে হস্তান্তর দুই যুগ পর কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন ১২ মার্চ সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় সখীপুরের যুবক নিহত, বাড়িতে শোকের ছায়া।

বেলকুচিতে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত 

মঞ্জুরুল ইসলাম
  • Update Time : রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১২৩ Time View

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি :

 

 

যথাযোগ্য মর্যাদায় সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বেলকুচি উপজেলা নির্বাহী অফিসার আফরিন জাহান।

সঞ্চালনা করেন বেলকুচি উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার ঘোষ।

বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বেলকুচি থানা ভারপ্রাপ্ত অফিসার ইনচার্জ মোঃ জহুরুল হক, বেলকুচি উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হাসান, বেলকুচি উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা মোঃ আলমগীর হোসেন, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা জহুরুল ইসলাম, বেলকুচি উপজেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি মোঃ রেজাউল করিম, বেলকুচি উপজেলা বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক মোঃ মুসা হাসেমী সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭১ সালে ১৪ই ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে ‘জাতিকে ব্যর্থ করাই ছিল স্বাধীনতাবিরোধীদের লক্ষ্য’

একাত্তরের ২৫ মার্চ কালরাত থেকে শুরু করে মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় বুদ্ধিজীবীদের হত্যা করে পাকিস্তানি বাহিনী। তবে বিজয়ের প্রাক্কালে এ হত্যাযজ্ঞ ভয়াবহ রূপ নেয়। আর এ কাজে তাদের সহযোগিতা করেছিলেন বাংলাদেশের রাজাকার নামে কিছু দেশীয় দোসররা।

ডিসেম্বরের মধ্যভাগে মুক্তিযুদ্ধে বাঙালির বিজয় যখন অনিবার্য, তখন রাজাকার, আল-বদর বাহিনীর সহযোগিতায় পাকিস্তানি বাহিনী হত্যা করে বাংলাদেশের বুদ্ধিজীবীদের; উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশকে পঙ্গু করে দেওয়া।

১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী পরিকল্পিতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক, চিকিৎসক, শিল্পী, লেখক, সাংবাদিকসহ বহু খ্যাতিমান বাঙালিকে বাসা থেকে তুলে নিয়ে হত্যা করে।

নিজেদের পরাজয় নিশ্চিত জেনেই পাকিস্তানি বাহিনী ঐ নিধনযজ্ঞ কর্মকান্ড চালায়; তাদের উদ্দেশ্য ছিল স্বাধীনতার পর যেন বাংলাদেশ যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে, তা নিশ্চিত করা।

 

শরীরে নিষ্ঠুর নির্যাতনের চিহ্নসহ জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের লাশ পাওয়া যায় মিরপুর ও রায়েরবাজার এলাকায়। পরে তা বধ্যভূমি হিসেবে পরিচিত হয়ে ওঠে,এমনকি তাদের অনেককে সনাক্ত করা সম্ভব হয়নি, যারা দেশের জন্য জীবন দিল, যার কারনে আমরা মাথা উচু করে দাড়াতে পারছি, তবে তাদের অমানবিক নির্যাতন ও হত্যার উপযুক্ত বিচার হয়নি, পূনরায় সঠিক তদন্ত করে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য দাবি জানান।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© All rights reserved © Doinik Prothom Barta
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102