সখীপুরের এক কৃষকের প্রায় ১০ হাজার কলা গাছ ভেঙে শেষ ক্ষতির সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ টাকা – dainikprothombarta    
সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ১২:৪০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চর গোসাইপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আনসার প্লাটুন কমান্ডারদের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন নবীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল  ভাঙ্গা আন্ডারপাসে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা — প্রাণ গেল এক ব্যক্তির কালীগঞ্জের বাসাইল বাজারে মোবাইল কোর্ট: ৫ মামলায় ১৯ হাজার টাকা জরিমানা গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে ৫৮টি হারানো মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের কাছে হস্তান্তর দুই যুগ পর কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন ১২ মার্চ সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় সখীপুরের যুবক নিহত, বাড়িতে শোকের ছায়া। বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসহ ৮ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ কালীগঞ্জে মাদক মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুইজনের এক মাসের কারাদণ্ড

সখীপুরের এক কৃষকের প্রায় ১০ হাজার কলা গাছ ভেঙে শেষ ক্ষতির সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ টাকা

  • Update Time : বুধবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৪
  • ২২৪ Time View

সখিপুর টাঙ্গাইল প্রতিনিধি,মোঃ আবু বকর সিদ্দিক (অপু):

টাঙ্গাইলের সখীপুরে আকস্মিক ঝড়ে এক কৃষকের ভেঙে গেছে প্রায় ১০হাজার কলা গাছ।

সোমবার রাত ১২ টার দিকে সখীপুর ও এর আশেপাশের এলাকায় ঝড় বয়ে যায়। এতে উপজেলার প্রতিমা বংকীর ইউনুস আলী নামের এক কৃষকের ঝড়ে ভেঙে পড়ে প্রায় ১০ হাজার কলা গাছ।

ধারণা করা যাচ্ছে এতে তার ক্ষতি প্রায় ১৬ লাখ টাকা।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ইউনুস আলী ববলেন গ্রামের মানুষের কাছ থেকে ধার করে ১১ হাজার কলা গাছ লাগিয়েছিলাম প্রায় সব গাছি ভেঙে গেছে শুধুমাত্র অল্প কিছু গাছ বাকি আছে।

তিনি আরো বলেন আমার এই বাগানটিতে আমার প্রায় ১৬ লাখ টাকার মতন ক্ষতি হয়েছে তেনার এই ক্ষতিতে তিনি বাংলাদেশ সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর সখীপুরে প্রায় ৪৫০ হেক্টর জমিতে কলা গাছ লাগানো হয়েছে। আকস্মিক ঝড়ে ৫০ হেক্টরেরও বেশি জমির কলা গাছ ভেঙ্গে গেছে। এই উপজেলায় রঙিন সাগর, হিম সাগর ও সবরি কলার চাষ বেশি হয়ে থাকে।

উপজেলার কালিদাস গ্রামের আলমগীর হোসেন বলেন, এ বছর সাত হাজার কলা গাছের চারা লাগিয়েছি। এর মধ্যে চার হাজার ছিল সবরি কলা। রাতের আকস্মিক ঝড়ে প্রায় সবগুলো সবরি কলা গাছ ভেঙ্গে গেছে। প্রতিটি কলা গাছে প্রায় তিন শত টাকা করে খরচ হয়েছে। আর দুই-আড়াই মাস পর কলা বিক্রির উপযোগী হতো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নিয়ান্তা বর্মণ বলেন, এই আকস্মিক ঝড়ে অন্যান্য ফসলের তুলনায় কলা বাগানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানতে পেরেছি প্রায় ৫০ হেক্টর জমির কালা গাছ ভেঙে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কলাচাষিদের নামের তালিকা করে জেলা কৃষি অফিসে পাঠানো হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© All rights reserved © Doinik Prothom Barta
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102