লালপুর রেলগেট স্থাপন ও গেটম্যান নিয়োগের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন – dainikprothombarta    
বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ১২:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
চর গোসাইপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আনসার প্লাটুন কমান্ডারদের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন নবীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল  ভাঙ্গা আন্ডারপাসে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা — প্রাণ গেল এক ব্যক্তির কালীগঞ্জের বাসাইল বাজারে মোবাইল কোর্ট: ৫ মামলায় ১৯ হাজার টাকা জরিমানা গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে ৫৮টি হারানো মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের কাছে হস্তান্তর দুই যুগ পর কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন ১২ মার্চ সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় সখীপুরের যুবক নিহত, বাড়িতে শোকের ছায়া। বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসহ ৮ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ কালীগঞ্জে মাদক মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুইজনের এক মাসের কারাদণ্ড

লালপুর রেলগেট স্থাপন ও গেটম্যান নিয়োগের দাবি জানিয়ে মানববন্ধন

  • Update Time : শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১২১ Time View

লালপুর উপজেলা প্রতিনিধি:

লালপুর উপজেলার এবি ইউনিয়নের দহরশৈলা গ্রামে প্রায় ৬ শত পরিবারের বসবাস। ১৯৯৯ সালে যমুনা নদীর উপর ৪.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ বঙ্গবন্ধু সেতু নির্মাণ হয়। রেলওয়ে ব্যবস্থার পূর্ব অংশটি পশ্চিমাঞ্চলের সাথে সংযুক্ত করার জন্য, জয়দেবপুর থেকে জামতৈল পর্যন্ত ৯৯ কিলোমিটার (৬২ মাইল) দীর্ঘ নতুন ডুয়েলগেজ লাইন তৈরি করা হয়। এই রেল লাইনটি দহরশৈলা গ্রামটিকে দুইভাগে বিভক্ত করে ফেলে। যার ফলে গ্রামের এক পাশে থাকে ৪ শত পরিবার এবং অপর পাশের ২ শত পরিবার।

এই পরিবার গুলোর ব্যবহৃত শত বছরের কাঁচা রাস্তাটি রেল লাইনের কারনে বিভক্ত হয়ে পড়ে। ফলে সীমাহীন ভোগান্তির শিকার হন রেল লাইনের অপর পাশে অবস্থিত ৪ শত পরিবার। বিগত পঁচিশ বছর যাবৎ তারা এই দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

দহরশৈলা গ্রামটি নাটোর জেলার লালপুর উপজেলায় অবস্থিত হলেও ভৌগলিক অবস্থানের কারনে তাদের প্রায় সকল প্রকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার সাথে। বাজার-ঘাট, শিক্ষা, চিকিৎসা সহ সবকিছুর সম্পর্ক ঈশ্বরদী উপজেলা ও পৌর শহরের সঙ্গে।

এছাড়াও ৪ শত পরিবারের জন্য যে গোরস্থান সেটিও রেললাইনের অপর পাশে। ফলে মৃতদেহ দাফন, শিক্ষা, চিকিৎসার জন্য এই ৪ শত পরিবারের সহস্রাধিক মানুষকে প্রায় ৩-৪ কিলোমিটার ঘুরে রেললাইন অতিক্রম করতে হয় এবং ঈশ্বরদীর সাথে সংযোগ সড়কে উঠতে হয়। এতে ঐ গ্রামের মানুষদের প্রায় দীর্ঘ ২৫ বছরের অধিক সময় ধরে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ফলে দহরশৈল গ্রামের দুঃখ হয়ে দাড়িয়েছে ঢাকা-উত্তরাঞ্চলা রেললাইন।

সম্প্রতি দহরশৈলা গ্রামের ঐ ৪ শত পরিবার নিজ উদ্যোগ এবং নিজস্ব অর্থায়নে তাদের কষ্ট লাগবের জন্য সোহেলের বাড়ি থেকে রেললাইন পর্যন্ত নিজস্ব জমি ছেড়ে দিয়ে ১০ ফুট প্রশস্থ এবং ১ হাজার ২০ ফুট দীর্ঘ পাকা রাস্তা নির্মান করছেন। এখন তাদের একটাই দাবি তাদের দুর্ভোগের কারন রেললাইনের উপর একটি রেলগেট স্থাপন ও গেটম্যান নিয়োগ।

দহরশৈলা গ্রামবাসী শুক্রবার ১৮ অক্টোবর সকালে ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনের পার্শ্ববর্তী উত্তরাঞ্চলে থেকে ঢাকা অভিমুখী রেললাইনের উপর অবস্থান নিয়ে রেলগেট স্থাপন ও গেটম্যান নিয়োগের দাবি জানান।
শত শত নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ, শিশু-কিশোর রেলগেট স্থাপন ও গেটম্যান নিয়োগের দাবি বাস্তবায়নের জন্য রেললাইনের উপর অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

এসময় তারা পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ব্যবস্থাপকের নিকট রেলগেট স্থাপন ও গেটম্যান নিয়োগের দাবি জানিয়ে বলেন, যদি ৩ দিনের মধ্যে কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ না নেওয়া হয় তাহলে আমরা রেললাইনের উপর আমরণ অনশন কর্মসূচী পালন করবো।

এবিষয়ে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ব্যবস্থাপক শাহ্ সূফী নূর মোহাম্মদ জানান, ঈশ্বরদী বাইপাস স্টেশনের পার্শ্ববর্তী গ্রামবাসী সেখানে রেলগেট স্থাপন ও গেটম্যান নিয়োগের দাবিতে রেল লাইনের উপর অবস্থান কর্মসূচী করছে বলে শুনেছি। কিন্তু তারা আমাদের নিকট কোন লিখিত আবদন করেননি বা সরাসরি এসে কেউ যোগাযোগও করেননি।

রেলগেট স্থাপন ও ৩ দিনের আল্টিমেটামের বিষয়ে তিনি বলেন, রেলগেট স্থাপনের ক্ষেত্রে সরকারের কিছু নিয়ম-পদ্ধতি, আইন-কানুন আছে। আমরা সে অনুযায়ীই রেল ক্রসিং এর নির্মাণ করি। এখন সবাই যদি তার নিজ নিজ গ্রামে বা বাড়ির সামনে নিজেরাই রাস্তা বানিয়ে রেলগেট নির্মাণের দাবি করে সেটিতো সম্ভব নয়। বরং সেটিকে আমাদের বাধা দিতে হবে। আর ঘরে বসে কিংবা সাংবাদিকদের জানিয়ে আল্টিমেটাম দেওয়াতো কোন সুনাগরিকের কাজ নয়। এটা তো জোর যার মুল্লুক তার টাইপের কাজ। আর আল্টিমেটাম দেওয়ারতো কিছু নিয়ম-কানুন, বিধি-বিধান আছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© All rights reserved © Doinik Prothom Barta
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102