দলীয় নেতার আশকারায় মাদক ব্যবসা চাঙ্গা, প্রশাসনের ঘুম হারাম – dainikprothombarta    
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দলীয় নেতার আশকারায় মাদক ব্যবসা চাঙ্গা, প্রশাসনের ঘুম হারাম চর গোসাইপুর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ কমিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত আনসার প্লাটুন কমান্ডারদের মধ্যে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন নবীনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল  ভাঙ্গা আন্ডারপাসে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনা — প্রাণ গেল এক ব্যক্তির কালীগঞ্জের বাসাইল বাজারে মোবাইল কোর্ট: ৫ মামলায় ১৯ হাজার টাকা জরিমানা গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উদ্যোগে ৫৮টি হারানো মোবাইল উদ্ধার, মালিকদের কাছে হস্তান্তর দুই যুগ পর কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন ১২ মার্চ সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় সখীপুরের যুবক নিহত, বাড়িতে শোকের ছায়া। বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসহ ৮ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ

দলীয় নেতার আশকারায় মাদক ব্যবসা চাঙ্গা, প্রশাসনের ঘুম হারাম

  • Update Time : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮ Time View

বিশেষ প্রতিনিধি:-

ডি,এম,পির হাজারিবাগ এলাকার গণকটুলি সিটি কলনীর প্রধান ফটক সংলগ্ন বড় মহল্লা নামক স্থানে চলছে ভয়াবহ মাদক ব্যবসা,
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায় এবং ছদ্মবেশে বড় মহল্লায় প্রবেশ করলে দেখা যায় যৌন পল্লীর মতো ছোট ছোট শত শত ঘরবাড়ি এবং একাধিক অলি গলি, যেখান থেকে মাদক ব্যবসায়ীদের আটক করা কোনভাবেই অসম্ভব।

বিশেষ সূত্রে জানা যায় অত্র এলাকার মাদকের মহারানী ও ইয়াবা সুন্দরী শিল্পী বেগম ও তার স্বামী জাতীয় পার্টির কথিত নির্বাহী সদস্য মোঃ আমির হোসেন মরণ নাশক নেশা ইয়াবার ডিলার, আর তাদের মদদে অন্যান্য ইয়াবা ও গাজা ব্যবসায়ীরা হলেন কালন ওরফে জাফর কালন ও তার বোন শিল্পী, শেলী, অপু, সাঈদ, সীমা, কইরা কালন , ফজলু মহাজন ও তার ছেলে হযরত আলী,শাবানা, রমজান, রিপন, ও মাদারি রিপন, লিটন, দুলাল, টিটু , মাসুম মিজান ওরফে টেরা মিজান সহ একাধিক মাদক ব্যবসায়ীরা সরাসরি কলনি গেট থেকে শুরু করে কাঁচা বাজার পর্যন্ত দাঁড়িয়ে পথচারীদের ডেকে ডেকে মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে । এদিকে গনকটুলির বইলখানায় একটা সময় মাদকের রমরমা ব্যবসা হলেও বর্তমানে হাজারীবাগ থানার একাধিক অভিযানে এই এলাকা নিয়ন্ত্রণ হলেও নিয়ন্ত্রণের বাহিরে বড় মহল্লা।

কারণ বড় মহল্লার মাদকের মহারানী শিল্পী বেগম ও নেতা আমিরের দুই পুত্র সোহেল আহমেদ ওরফে কানা সোহেল ও জাফর আহমেদ রানা নিজেরাই মাদক তালিকায় যুক্ত থেকেও আওয়ামী লীগের ঢাকা- ১০ আসনের সাবেক এমপি মহিউদ্দিনের একান্ত আস্থা ভাজন ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা কালা সোহেল সহ তার ভাই রানা গত ৫ ই আগস্ট সরকার পতনের পর ঢাকা মহানগরের যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক গফফার এর সহযোগিতায় ও তার নাম ব্যবহার করে ২২নং ওয়ার্ড হাজারীবাগ থানা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হিসেবে জাফর আহমেদ রানা নিজেকে গোটা এলাকায় নেতা পরিচয় দিয়ে আসছেন এবং তার সাথে কথা বলে জানা যায় ঢাকা – ১০ আসনের সংসদ সদস্য ও মাননীয় মন্ত্রী মহোদয় শেখ রবিউল আলম এর একান্ত বিশ্বস্ত ভাজন বলে দাবি করেন। যার পরিপ্রেক্ষিতে বড় মহল্লার একাধিক মাদক কারবাড়িদের নিশ্চিন্তে মাদক ব্যবসা করার জন্য আশ্বস্ত করেন।

হাজারীবাগের পূর্ব পরিচিত ও ব্যাপক আলোচিত চৌদ্দ টুলি বইলখানা, গনকটুলি কলোনি নামক এই স্থানে দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাপক আকারে মদ, গাজা, ইয়াবা, হেরোইন ও প্যাথেডিন সহ চলত নানা ধরনের ধরনের অসামাজিক কাজ।
পূর্বে কোন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী এইসব মাদক কারবারিদের ব্যবসাকে ব্যাহত করতে পারেনি। কিন্তু অত্র এলাকাবাসির সাক্ষ্য মতে মাদকের যম দূত হিসেবে বর্তমানে আল্লাহর উসিলায় হাজারীবাগ থানার ওসি মাদকের বিরুদ্ধে চরম সোচ্চার।

এলাকাবাসীর কথায় হাজারীবাগ এলাকা ঘুরে দেখা যায় হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে প্রতিনিয়ত বিডিআর ৫ নং গেট হতে গনক টুলি স্কুল পর্যন্ত দুই পাশে চেকপোস্ট বসিয়ে চিরুনি অভিযান চালিয়ে প্রতিদিন কমপক্ষে ৩০/৪০ জন মাদক কারবারিদের ও সেবনকারীদের আটক করেন এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা রজু করে আদালতে প্রেরণ করেন। খোঁজ নিয়ে জানা যায় উক্ত অভিযানে নিরলস ভূমিকা রাখেন ওসির নেতৃত্বে এস আই আজিজ, এসআই শাহীন, এসআই খালিদুল আশিক সহ হাজারীবাগ থানার একাধিক পুলিশ সদস্যরা।

আর তাতেই যেন ভাটা পড়ছে সব মাদক ব্যবসায়ীদের ব্যবসায়।
যার পরিপেক্ষিতে গত ২১শে এপ্রিল মধ্যরাতে হাজারীবাগ বাজার সংলগ্ন একটি স্থানে ২২ নং ওয়ার্ডের যুবদলের নেতা পরিচয় দানকারী যুবদলের সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক জাফর আহমদ রানা , ক্যাপ সোহেল এর মাধ্যমে অসাধু দুই মিডিয়া কর্মীদের নিয়ে দলীয় প্রভাব খাটিয়ে হাজারীবাগ থানা এলাকায় নিযুক্ত গোয়েন্দা সংস্থার একজন সদস্যের সাথে হাজারীবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে অপসারণ বা মাদকের অভিযান বন্ধের পরিকল্পনা করেন বলে দাবি এলাকাবাসীর ।

এলাকাবাসীর দাবি ওসি সাহেবের বর্তমান অভিযান চলমান থাকলে আমরা আশাবাদী শীঘ্রই আমরা একটা মাদক মুক্ত এলাকার বাসিন্দা বলে দাবি করতে পারবো।

কাজেই হাজারিবাগ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি হাফিজুর রহমানের নিকট এলাকাবাসীর জোর দাবি অতি দ্রুত কানা সোহেল ও জাফর আহমেদ রানাকে আইনের আওতায় নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাদের পরিকল্পনা উন্মোচন হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© All rights reserved © Doinik Prothom Barta
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102