
বিশেষ প্রতিনিধি:-
রাজধানীর হাজারীবাগ এলাকার গনকটুলি সুইপার কলোনিতে একের পর এক সেনা অভিযান চলায় মাদক ব্যাবসা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণ হলেও ক্রমেই বাড়ছে সিটি কলনির প্রধান সড়কে মাদকের রমরমা ব্যাবসা । বিশেষ গোপন সূত্রে জানাযায় সিটি কলোনির বড় মহল্লা নামক স্থানে বসবাসকৃত মাদক ব্যবসায়ী অপু পিতা কামাল,কালন, হযরত আলী পিতা ফজলু মহাজন, মিরাজ মাতা বুড়ি ও বোন সাইদা সহ আরও ১০/১৫ জন এরা ছাড়াও রয়েছে এদেরই একটি সঙ্ঘবদ্ধ মাদক কারবারি গ্রুপ। বিশেষ সূত্রে জানা যায় এই সকল ভ্রাম্যমাণ মাদক ব্যবসায়ীদের শেল্টার দিচ্ছেন অত্র এলাকার কথিত যুবদলের নেতা পরিচয়কারী মানিক ওরফে কালা মানিক ও তার একান্ত ভাজন ব্যবসায়িক পার্টনার ও ইয়াবা ডিলার শারমিন ওরফে লোডা শারমিন। সিটি কলোনির গোটা এলাকার স্থানীয়রা জানায় মানিক ওরফে কালা মানিক সবার কাছে বিএনপির নেতা বলে পরিচিত, গত ৫ই আগস্টের পর হতে তত্ত্বাবধায়ক আমলে প্রতিনিয়ত কলোনির বিভিন্ন স্হানে সেনা অভিযান চলার কারণেই অনেকটাই ছিল গা ঢাকা দিয়ে, এবং ১২ ই ফেব্রুয়ারী নির্বাচনের পর হতেই দেখা যায় তার আসল তান্ডপ।
একদিকে মানিক ওরফে কালা মানিক অন্য দিকে ইয়াবা ডিলার শারমিন ওরফে লোডা শারমিন তাদের উভয়েরই মাদক কারবারিরা ওপেনে পায় হেটে কলোনির মূল ফটোক থেকে বি ডি আর ৫ নম্বর গেট পর্যন্ত পথচারীদের নিকট ডেকে ডেকে মরন নাষক নেশা শাহি গাজা ও ইয়াবা বিক্রি করেছে অথচ এ বিষয়ে স্থানীয় থানা পুলিশের ভূমিকা শূন্য।
এ বিষয়ে হাজারীবাগ থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিকট একাধিকবার সাক্ষাৎ করতে গেলেও দেখা মেলেনি। সেই সাথে আরও জানা যায় মানিক ওরোফে কালা মানিকের বিরুদ্ধে অত্র থানা সহ বিভিন্ন থানায় রয়েছে মাদক, চুরি, ছিনতাই সহ একাধিক মামলা।
মাদক, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ, জুলুম সহ এ জাতীয় অপরাধের জন্য বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নিকট হতে জিরো টলারেন্সের বার্তা আসলেও মিলেনি কার্যকারিতা।
তাই এলাকাবাসীর দাবি অতি দ্রুত বিএনপি নেতা পরিচয় কারী ও মাদক ব্যবসায়ীর গডফাদার মানিক ওরফে কালা মানিক সহ লোডা শারমিনকে আইনের আওতায় নেওয়া হোক।
এ বিষয়ে অত্র এলাকার জনসাধারণ একমত পোষণ করছে এ কারণেই অত্র হাজারীবাগ গণকটুলি কলোনির আশপাশ এলাকা জুড়ে রয়েছে স্কুল কলেজ ও মাদ্রাসা , আর এই সকল কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের প্রাণ রক্ষার্থে এখনই আইনগত পদক্ষেপ নেওয়াটাই খুব জরুরী মনে করছেন এলাকাবাসী।