মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে পরিচিত মাগুরা মহম্মদপুর পলাশবাড়ী ইউনিয়ন এর ঔতিহ্য ও কৃতি সন্তান, এ আর সাইফুল ইসলাম । – dainikprothombarta    
বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:০৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সাভার আশুলিয়া সেনা মার্কেট থেকে সরকারি আটা ও চাল জব্দ মান্দায় আত্রাই নদীর পাড়ে মোবাইল কোর্ট; দুই চালককে জরিমানা। দোয়ারাবাজারে সুনামগঞ্জের ডিসির বক্তব্য নিয়ে আপত্তি তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে রাজশাহীতে মঞ্চ প্রস্তুত রাজশাহী-৫ পুঠিয়া দুর্গাপুর বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণা বিভিন্ন ইউনিয়নে  নওগাঁর মান্দায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত। ঘাটাইলে বর্ণিল আয়োজনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত পুলিশের বিরুদ্ধে আদালতের সমন গায়েব করে গ্রেপ্তারের অভিযোগ মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে পরিচিত মাগুরা মহম্মদপুর পলাশবাড়ী ইউনিয়ন এর ঔতিহ্য ও কৃতি সন্তান, এ আর সাইফুল ইসলাম । সংস্কারের নামে বছরের পর বছর খোঁড়া রাস্তা ধুনটে ঠিকাদার লাপাত্তা, মানববন্ধনে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী

মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে পরিচিত মাগুরা মহম্মদপুর পলাশবাড়ী ইউনিয়ন এর ঔতিহ্য ও কৃতি সন্তান, এ আর সাইফুল ইসলাম ।

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারি, ২০২৬
  • ১২৫ Time View

মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে পরিচিত মাগুরা মহম্মদপুর পলাশবাড়ী ইউনিয়ন এর ঔতিহ্য ও কৃতি সন্তান, এ আর সাইফুল ইসলাম। সবাই তাকে মানবতার ফেরিওয়ালা হিসাবে চিনেন। তাহার ভাবনা আমরা খুঁজে পাই এবং জা দেখি। তাহার ভাবনা, আমি কোনো ক্ষমতার আসনে বসে কথা বলি না, “নিজের ভিতরের আমিত্ব’ অহংকার দুর করতে না পারলে (স্রষ্টার) আল্লাহ্’র সন্তুষ্টি অর্জন হবেনা।”

 

__ নেতাকে সামনে রেখে নিজেকে জাহিরও করি না। আমি জানি, পদ মানুষকে বড় করে না—মানুষকে বড় করে তার অবস্থান। তাই যখন লিখি, তখন সেটি দায়িত্বের ভাষা নয়, এটি বিবেকের ভাষা। একজন রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে নয়, একজন মানুষ হিসেবে কথা বলাই আমার কাছে সবচেয়ে জরুরি।

 

“আপনি কি সাহায্য করেছিলেন?”—এই প্রশ্নটি যতটা সরল শোনায়, তার ভেতরে ততটাই হিসাবি একটি দৃষ্টি লুকিয়ে থাকে। যেন মানুষের কষ্টে কথা বলার আগে প্রমাণ দিতে হয়, কে ছিলেন, কোথায় ছিলেন, কোন কমিটিতে ছিলেন। যেন সহমর্মিতারও একটি রাজনৈতিক সার্টিফিকেট প্রয়োজন। অথচ কিছু পরিস্থিতি আছে, যেখানে দল, পদ বা সংখ্যার হিসাব একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায়।

 

একজন মানুষ যখন কারাগারের ভেতরে বসে সন্তানের মুখ না দেখেই দিন পার করে, যখন একটি চিঠি তার শেষ আশ্রয় হয়ে দাঁড়ায়, তখন সেই যন্ত্রণার কোনো দলীয় পরিচয় থাকে না। সেই কষ্টের সঙ্গে যুক্ত হয় একজন স্বামীর অসহায়তা, একজন বাবার অপূর্ণতা, একজন মানুষের ভেঙে পড়া স্বপ্ন। সেখানে প্রশ্নটা আর “কে কার সঙ্গে ছিল” নয়—প্রশ্নটা হয়, আমরা মানুষ হিসেবে কতটা মানুষ থাকতে পেরেছি।

 

আমি চ্যাত দেখাই না, কারণ চ্যাত দেখিয়ে কষ্টকে ছোট করা যায়। শোক কোনো প্রদর্শনীর বিষয় নয়, এটি নীরবতার দাবি রাখে। জানি, চ্যাত দেখালে বাহবা মিলত, লাইক আসত, কিন্তু কিছু জায়গায় হাততালির চেয়ে মাথা নিচু করাই বেশি সম্মানের। যেখানে চ্যাত দেখানোর দরকার নেই, সেখানে চ্যাত দেখানো দায়িত্ব নয়—বরং সেটি অহংকার হয়ে ওঠে।

আমি স্পষ্ট করে বলেছি, আমি দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা নই। আমি একজন সাধারণ কর্মী মাত্র। আমাকে চ্যাত দেখিয়ে লাভ নেই। যেখানে দেখানোর প্রয়োজন, সেখানে দেখান। আর যেখানে কেবল মানুষ হয়ে পাশে দাঁড়ানোই যথেষ্ট, সেখানে নীরব থাকাই সবচেয়ে শক্ত অবস্থান।

এই নীরবতা কোনো দুর্বলতা নয়। এই নীরবতাই আমার ভাষা, আমার প্রতিবাদ, আমার রাজনীতি। কারণ সব কথা চিৎকার করে বলতে হয় না—কিছু কথা পূর্ণ বাক্যে নীরব হয়েই সবচেয়ে গভীরভাবে পৌঁছে যায়। কিছু কথা না বললেই নয় এ সময়। এ আর সাইফুল ইসলাম ভাইকে ইদানীং গভীর মনোযোগ দিয়ে লক্ষ্য করছি। রাজনীতিতে অনেকেই কথা বলেন, কিন্তু খুব কম মানুষ আছেন যাদের কথা শুনলে মনে হয়-এই মানুষটি বিষয়টা বোঝেন, পড়েছেন, ভেবেছেন, বিশ্লেষণ করেছে

সবচেয়ে ভালো লাগে এই কারণে যে, তার কথাবার্তায় প্রস্তুতির ছাপ স্পষ্ট। বোঝা যায়, তিনি পড়াশোনার মধ্যে থাকেন, রাজনীতিকে হালকাভাবে নেন না। এমন বুদ্ধিবৃত্তিক, যুক্তিনির্ভর ও শালীন কণ্ঠই এই মুহুর্তের রাজনীতিতে সবচেয়ে বেশি দরকার।

তাঁর সাথে ব্যক্তিগত প্রয়োজনে কথা বলার সুযোগ হলো আজ। খুব অল্প সময়ের কথোপকথনই যথেষ্ট ছিল মানুষটিকে চিনতে। আচরণে বিনয়, কথায় শালীনতা আর মনোযোগ দিয়ে শোনার যে গুণ-তা সত্যিই মুগ্ধ করেছে। আত্মবিশ্বাসী মানুষটির আড়ালে যে একজন ভদ্র, সংবেদনশীল ও শ্রদ্ধাশীল মানুষ আছেন, সেই উপলব্ধিটাই সবচেয়ে ভালো লেগেছে।

যমনেপ্রাণে চাই, এই মানুষটি আরও অনেক দূর এগিয়ে যাক। যোগ্যতা, প্রজ্ঞা আর শালীনতার শক্তিতে তিনি যেন রাজনীতির দীর্ঘ পথটা দৃঢ়ভাবে অতিক্রম করতে পারেন-এই কামনাই র‌ইলো।

২০০১ থেকে ২০০৮ এর ইতিহাস কারো অজানা নয়, এখন আবার ফুটে উঠেছে সেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শের সৈনিক, খোকা। আলো সরিয়ে দিচ্ছে সাধারণ মানুষের মাঝে, দূর সময়ে নিজের কষ্টে উপার্জিত টাকা খরচ করে, সময় ও শ্রম দিয়ে একাধিক অসহায় কারাবন্দী মানুষকে কারামুক্ত করিয়েছেন এবং নগদ অর্থ দিয়ে অসহায় তৃণমূল কর্মীদের দেখভাল করছেন। দেশে ও দলের স্বার্থে তিনি নিবেদিত প্রাণ।

সময়ের সাহসী সন্তান সাইফুল ভাইয়ের প্রতি আমারা কৃতজ্ঞ।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© All rights reserved © Doinik Prothom Barta
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102