
নিউজ ডেস্ক:
ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই ঢাকা–নয়াদিল্লির সম্পর্কে দৃশ্যমান শীতলতা দেখা যায়। সাম্প্রতিক সময়ে ইনকিলাব মঞ্চের নেতা হাদিকে গুলি করে অভিযুক্ত ফয়সাল ভারতে পালিয়ে গেছে—এমন খবর ছড়িয়ে পড়ার পর দুই দেশের সম্পর্কে টানাপড়েন আরও বেড়েছে। এ নিয়ে উভয় দেশের হাইকমিশনকেন্দ্রিক উত্তেজনা ও বিক্ষোভ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তোলে।
বাংলাদেশ নিয়ে আগে নিয়মিত মন্তব্য করলেও সাম্প্রতিক সময়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পক্ষ থেকে কোনো প্রকাশ্য বক্তব্য শোনা যাচ্ছে না। এই নীরবতার পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করেছেন সিপিআইএমের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিম।
তার দাবি, বাংলাদেশ সংক্রান্ত বিষয়ে মোদি সরকারের প্রকাশ্য বক্তব্য না দেওয়ার পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা রয়েছে। সেলিমের ভাষ্য অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা থাকায় ভারত সরকার এখন এ বিষয়ে প্রকাশ্যে অবস্থান নিচ্ছে না।
মোহাম্মদ সেলিম আরও বলেন, শেখ হাসিনা ভারতে থাকবেন নাকি বাংলাদেশে ফেরত যাবেন—এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি মোদি সরকারের হাতে নেই। বিষয়টি নির্ভর করছে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক সংকেতের ওপর। তার মতে, হাসিনাকে ফেরত দেওয়ার প্রশ্নে ভারত সরকার এখনো ওয়াশিংটনের অবস্থান বুঝে নেওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।
সিপিআইএম নেতার এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত ভারত সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।