
সাফি, পাটগ্রাম লালমনিরহাট প্রতিনিধি :
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা জ্যোতিময় চন্দ্র সরকার বিরুদ্ধে মাসের বেশিরভাগ কর্মদিবসেই অনুপস্থিত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। অফিসের পিয়ন ও হিসাবরক্ষকদের দিয়েই তার কাজ করে নিতে হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী শিক্ষকদের।
বৃহস্পতিবার ৬ মার্চ সরজমিনে পাটগ্রাম প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কার্যালয়ে গিয়ে তাকে পাওয়া যায় নি এবং চলতি সপ্তাহে এক কর্মদিবসেও অফিসে আসেননি। এবিষয়ে জ্যোতিময় চন্দ্র সরকারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন কল রিসিভ করেননি।
অভিযোগ উঠেছে, ২০২৪ সালের মাঝামাঝি পাটগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে যোগদান করেন কর্মকর্তা জ্যোতিময় চন্দ্র সরকার। যোগদানের পর থেকেই অধিকাংশ সময় অফিসে অনুপস্থিত থাকেন। দিনের পর পর দিন নানা কাজে প্রাথমিক শিক্ষা দফতরে গিয়ে শিক্ষকরা তার দেখা পাননি। পিয়ন ও অফিস সহকারীরাই করে থাকেন তার সব কাজ।
৩ নং ভোটহাটখাতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘উনি মাসে এক থেকে দুদিনের বেশি অফিস করেন না। পিয়ন আর অফিসের হিসাবরক্ষকদের দ্বারাই সব কাজ করে নিতে হয়।
বৃহস্পতিবার ৬ মার্চ দুপুর ১২টায় পাটগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সরাসরি গিয়ে দেখা যায় অনেক শিক্ষক বিভিন্ন কাজের জন্য এসে ঘুরে যাচ্ছেন কিন্তু ভয়ে তারা কিছু বলতে চাচ্ছেন না। শুধু সবাই একটি কথাই বলে যে আপনারা তো নিজ চোখেই দেখলেন যে ওনি অফিস করেন না।
উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার আব্দুস ছালামের দেখা পাওয়া গেলেও এবিষয়ে তিনি কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।
এ বিষয়ে লালমনিহাট জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা লিটন চন্দ্রের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন জ্যোতির্ময় চন্দ্র সরকার কোন ছুটি নেননি, কেন অফিসে আসছেন না এ বিষয়ে খোঁজখবর নিব।
সাফিউল ইসলাম সাফি
পাটগ্রাম লালমনিরহাট প্রতিনিধি
০১৭৯৬১১৩৪৯৫