গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হারিয়ে যাচ্ছে হুক্কা – dainikprothombarta    
শনিবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বাংলাদেশ নারী ও শিশু উন্নয়ন সোসাইটির ব্যতিক্রমী ক্রীড়া উৎসব ধুনটে জামায়াত মহিলা বিভাগের নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত গাজীপুরে কালী মন্দিরে মতবিনিময় সভা: দল-মত নির্বিশেষে ধানের শীষে ভোট দেওয়ার প্রত্যয় রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী সিলসিটি এক্সপ্রেস ট্রেন সরদহ স্টেশন পার হয়ে ট্রেনের বগি রেখে ইঞ্জিল চলে যায় ধুনটে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত নওগার মান্দায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা। রাজশাহীতে তারেক রহমান নির্বাচনী সম্মেলন কি প্রতিশ্রুতি দিলেন সাভার আশুলিয়া সেনা মার্কেট থেকে সরকারি আটা ও চাল জব্দ মান্দায় আত্রাই নদীর পাড়ে মোবাইল কোর্ট; দুই চালককে জরিমানা। দোয়ারাবাজারে সুনামগঞ্জের ডিসির বক্তব্য নিয়ে আপত্তি

গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হারিয়ে যাচ্ছে হুক্কা

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ মোঃ গোলাম রব্বানী
  • Update Time : সোমবার, ৩ জুন, ২০২৪
  • ১২৯ Time View

দেশ এখন ডিজিটাল হয়েছে গ্রাম পেয়েছে সেই উন্নয়নের ছোঁয়া। বদলেছে মানুষের অভ্যাস রুচি সহ আচার আচরণ। এখন যে ছেলেটা প্রথমে ধূমপান করতো সিগারেট দিয়ে শুরু করে এরপর সে একে একে গাজা, ইয়াবা, হিরোইন, আফিন,মদ খেতে শুরু করে। কিন্তু এখন থেকে ২০ বছর আগেও সকল মানুষের ধূমপানের প্রথম হাতে খড়ি হত হুক্কার মাধ্যমে।

প্রতিবারই একটি করে হুক্কা থাকতো আর সেটা দেখাই যায় না।ক্রমান্বয়ে নীলফামারী থেকে হারিয়ে গেছে গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী হুক্কা। এক সময় সাধারণ মানুষের কাছে ধুমপানের অন্যতম মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় ছিল এই ‘হুক্কা”। ৫০/৬০ দশকেও জনপ্রিয় ধুমপানের মাধ্যম ছিল হুক্কা। এক সময় বঙ্গদেশের কৃষক-শ্রমিক বাড়ির উঠোনে সকাল দুপুর ও বিকালে কাজের ফাঁকে আয়েসী ভঙ্গিতে এক ছিলিম তামাক দিয়ে পরমান্দে হুক্কা টানার আনন্দ ছিল ভিন্ন মাত্রার। জমিদার জোতদার ও গ্রামের মোড়লরা নানাভাবে তামাক তৈরি করে হুক্কায় টান দিয়ে পরম আনন্দে তৃপ্তির স্বাদ নিত।

ডোমার উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের পশ্চিম সোনারায় গ্রামের মোঃ সেরাজুল মিয়া বলেন মা, বাবার খাওয়া দেখে আমিও শিখেছি তাই মনের আনন্দে আমি হুক্কা ব‍্যবহার করেছিলাম। যেভাবে তৈরি হতঃ ঝুনা নারিকেলের একটা মালই দুটো ফুটো করে তার উপর কারুকার্য করা একটি কাঠের নল তৈরি করে তাতে মাটির তৈরি ছিলিম বা কলকি দিয়ে নারিকেলের মালই ভর্তি পানি ভরালেই হুক্কা হয়ে যায়। আগের আমলে জমিদার জোতদারা পিতলের হুক্কা ব্যবহার করত। যার প্রচলন এখন দ্রুত হারিয়ে গেছে। সে সময় ধনী-গরীব প্রায় সকলের বাড়িতেই হুক্কার প্রচলন ছিল চোখে পড়ার মতো।

গ্রামের বিভিন্ন বৈঠক খানায় মেহমানদের জন্য প্রধান আকর্ষণ ছিল হুক্কা। যে কোনো বয়সের ছেলে ও বয়স্করা হুক্কার নেশায় মাতোয়ারা ছিল। বর্তমান প্রজন্মে কাছে হুক্কা খাওয়াতো দুরের কথা অনেকে চোখেই দেখেনি। কারণ এসময়ে হুক্কার জায়গা দখল করে নিয়েছে বিড়ি, সিগারেট, হুইস্কি, হেরোইন, গাজাঁসহ অন্যান্য মাদকদ্রব্য। যার মধ্যে ক্ষতিকর নিকোটিন রয়েছে অধিক হারে। তারপরও এই মরণনেশায় জড়িয়ে পড়েছে উঠতি বয়সের যুব সমাজ। যাদের নিয়ে দেশের সকল অবিভাবক মহল থাকেন সব সময় উদ্বিগ্ন।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© All rights reserved © Doinik Prothom Barta
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102