নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মুজিবনগর দিবস পালিত – dainikprothombarta    
শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
দুই যুগ পর কোম্পানীগঞ্জ বদিউল আলম ডিগ্রি কলেজে ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচন ১২ মার্চ সৌদি আরবে মিসাইল হামলায় সখীপুরের যুবক নিহত, বাড়িতে শোকের ছায়া। বাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে মাদকসহ ৮ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ কালীগঞ্জে মাদক মামলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুইজনের এক মাসের কারাদণ্ড গোপালপুর প্রেসক্লাব সম্পাদকের পিতার ইন্তেকাল  দিঘলিয়ায় বাইশ দিনের শিশু পুত্রসন্তানকে গলা টিপে হত্যা করেছে পাষন্ড পিতা বাসন থানার বিশেষ অভিযানে ৫ জন গ্রেফতার, আদালতে প্রেরণ ধুনট আল-কুরআন একাডেমিক স্কুল নতুন প্রিন্সিপালের পরিচালনায় সন্তুষ্ট অভিভাবকরা দুর্গাপুরে চালের কার্ড চাওয়ায় বৃদ্ধাকে পেটাল বিএনপি নেতা টঙ্গী পশ্চিম থানার অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত আসামী ও ছিনতাইকারীসহ ৩ জন গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে মুজিবনগর দিবস পালিত

নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি:
  • Update Time : বুধবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৪
  • ২১৫ Time View

জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর বলেছেন, মুজিবনগর সরকার হচ্ছে বাংলাদেশের প্রথম সরকার। এই সরকারই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেছে। ইতিহাস ধারণ করেছে। এখানে আবেগের কোনো স্থান নেই। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর যে ঘোষণা সেই ঘোষণাকে ধারণ করে মুজিবনগর সরকার সেটাকে অনুমোদন করে তারপরে তার কার্যক্রম শুরু করেছে।

বুধবার (১৭ এপ্রিল) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের কনফারেন্স কক্ষে ‘ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষ্যে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আলোচনা সভাটি আয়োজন করে।
মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে উপাচার্য আরও বলেন, বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ হঠাৎ করে আকাশ থেকে পতিত হয় নি, কারও বাঁশির ফুঁ তে হয় নি, কারও ইচ্ছেতে হয় নি বরং এটি ধীরে ধীরে বহু মানুষের সমন্বিত অবস্থার বহি:প্রকাশ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যে পরিকল্পনা করেছিলেন, এবং ভেবেছিলেন যে কীভাবে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালিত হবে সে বিষয়গুলো আমাদের মুজিবনগর সরকার বাস্তবায়িত করেছে।
মুজিবনগর সরকার নিয়ে গবেষকদের আরও বেশি কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ শুধুই রণাঙ্গনের মধ্যদিয়ে হয় নি, মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করবার জন্য কাজ করেছিলেন সেই মানুষগুলোকে আমাদের খুঁজে বের করতে হবে। তাঁদের যে কাজকর্ম সেটি নিয়ে আমাদের কাজ করার সুযোগ আছে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. আতাউর রহমান। সঞ্চালনা করেন রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর।

এসময় সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. নজরুল ইসলাম, বিজ্ঞান ও প্রকৌশল অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধান, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মো. রিয়াদ হাসান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) ড. মোসাম্মৎ জান্নাতুল ফেরদৌস, প্রক্টর সঞ্জয় কুমার মুখার্জী, পরিচালক (ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা) ড. মোহাম্মদ মেহেদী উল্লাহ, শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. তুষার কান্তি সাহা, সাধারণ সম্পাদক ড. শফিকুল ইসলাম, ডিরেক্ট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. জালাল উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক ফাহাদুজ্জামান মো. শিবলী, কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি মাসুম মোকারেরম, সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম খলিলসহ অন্যরা।

দিবসটি উপলক্ষ্যে বাদ যোহর দুপুরে কেন্দ্রীয় মসজিদে বিশেষ দোয়া ও সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© All rights reserved © Doinik Prothom Barta
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102