মরিচের জাব পোকা। – dainikprothombarta    
শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধুনটে মাসিক আইন-শৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত নওগার মান্দায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান, দুই ব্যবসায়ীকে জরিমানা। রাজশাহীতে তারেক রহমান নির্বাচনী সম্মেলন কি প্রতিশ্রুতি দিলেন সাভার আশুলিয়া সেনা মার্কেট থেকে সরকারি আটা ও চাল জব্দ মান্দায় আত্রাই নদীর পাড়ে মোবাইল কোর্ট; দুই চালককে জরিমানা। দোয়ারাবাজারে সুনামগঞ্জের ডিসির বক্তব্য নিয়ে আপত্তি তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে রাজশাহীতে মঞ্চ প্রস্তুত রাজশাহী-৫ পুঠিয়া দুর্গাপুর বিএনপির প্রার্থী নির্বাচনী প্রচারণা বিভিন্ন ইউনিয়নে  নওগাঁর মান্দায় দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিশাল নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত। ঘাটাইলে বর্ণিল আয়োজনে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত

মরিচের জাব পোকা।

  • Update Time : মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪
  • ১৩৩ Time View

নীলফামারী প্রতিনিধিঃ মোঃ গোলাম রব্বানী।

জাব পোকা মরিচের মারাত্নক ক্ষতি করে। মরিচের পাতা, ফুল, কচি ফল ও ডগার রস চুষে খায়। এতে মরিচের ফলন নিয়ে হতাশ হন চাষিরা । তাই মরিচের ভালো ফলন পেতে হলে জাব পোকাসহ বিভিন্ন পোকার দমন ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে।

মরিচের জাব পোকা:
পরিচিতি:

জাব পোকা অতি ছোট, দেহ নরম ও উজ্জ্বল কাল রংয়ের হয়ে থাকে। পাখাওয়ালা জাব পোকা উড়তে পারে কিন্তু নিম্ফ বা পাখা বিহীন উড়তে পারে না । এরা দল বদ্ধ ভাবে বাস করে।

কারণ: র্পূনাঙ্গ ও নিম্ফ (বাচ্চা) পাতা, ফুল, কচি ফল ও ডগার রস চুষে খায়। অধিক আক্রমণে গাছের বাড়তি কমে যায় এবং ফলন কম হয়। এ পোকা ভাইরাস রোগ ছড়ায়।

ক্ষতির লক্ষণ:
১. পূর্নাঙ্গ ও নিম্ফ পাতা, ফুল কচি ফল ও ডগার রস চুষে খায়।
২. পাতা কুঁকড়ে যায়, গাছের বৃদ্ধি ও ফুল, ফল ধারণ বাধাগ্রস্থ হয়
৩. এ পোকা থেকে নি:সৃত মধুরসে কালো শুটি মোল্ড ছত্রাক জন্মায়।

পোকা দমন ব্যবস্থাপনা :
* প্রাথমিক অবস্থায় শুকনো ছাই প্রয়োগ করা।

* আক্রমণের প্রাথমিক অবস্থায় হাত দিয়ে পিষে মেরে ফেলতে হবে।

* পরিষ্কার পানি জোরে স্প্রে করা ও ক্ষেত পরিষ্কার /পরিচ্ছন্ন রাখা

* লেডি বার্ড বিটলের পূর্নাঙ্গ ও কীড়া (গ্লাব) এবং সিরফিড ফ্লাই এর কীড়া জাব পোকা খায় বিধায় এদের সংরক্ষণ ও সংখ্যা বাড়ানো গেলে জাবপোকা অতিদ্রুত খেয়ে ফেলে।

* হলুদ রঙের ফাঁদ ব্যবহার করা ।

* তামাকের গুড়া (১০গ্রাম) ও সাবানের গুড়া (৫গ্রাম) প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ব্যবহার করা।

* আক্রমণের মাত্রা বেড়ে গেলে ইমিডাক্লোরপ্রিড গ্রুপের কীটনাশক (যেমন টিডো/ টিডো প্লাস/ইমিটাফ/গেইন
এডমায়ার/কনফিডর) অনুমোদিত হারে প্রয়োগ করতে হবে।

সাবধানতা:
স্প্রে করার পর ১৫ দিনের মধ্যে সেই সবজি খাবেন না বা বিক্রি করবেন না

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

© All rights reserved © Doinik Prothom Barta
Design & Develop BY Coder Boss
themesba-lates1749691102